April 19, 2026, 8:25 pm

৭৬২ বোতল ফেনসিডিল ও ১০ কেজি গাঁজাসহ ০৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার,

গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৭ জুন ২০২১ রবিবার বিকাল ৫.৩০ ঘটিকায় নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর মডেল থানাধীন নিতাইগঞ্জ এলাকায় র‌্যাব-১১ কর্তৃক একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশী চালিয়ে ৭৬২ বোতল ফেনসিডিল ও ১০ কেজি গাঁজাসহ ০৪ জন মাদক ব্যবসায়ী’কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলোঃ ১। মোঃ জাবেদ বেপারী (৩৮), ২। মোঃ হেলাল উদ্দিন (৪৪), ৩। মোঃ সাইফুল (২২) এবং ৪। দিলীপ চন্দ্র রায় (২২)। উক্ত অভিযানে মাদক বিক্রয়ের নগদ ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫ শত ৯০ টাকা ও মাদক ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত ০১টি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় যে, প্রায় ডজনখানেক মামলার আসামী মোঃ জাবেদ বেপারী (৩৮) এর বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর মডেল থানাধীন সৈয়দপুর এলাকায়। সে নারায়ণগঞ্জ জেলার একজন শীর্ষ মাদক ডিলার। গ্রেফতারকৃত অপর আসামী মোঃ হেলাল উদ্দিন (৪৪) এর বাড়ি নওগাঁ জেলার সদর থানাধীন দারিয়াপুর এলাকায়। সে একজন শীর্ষ মাদক সরবরাহকারী। ইতঃপূর্বে মাদক পরিবহনের দায়ে তার বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ থানায় মাদক মামলা চলমান রয়েছে। এছাড়া গ্রেফতারকৃত অপরাপর আসামী মোঃ সাইফুল (২২) এর বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ থানাধীন বাসন্দি এলাকায় এবং দিলীপ চন্দ্র রায় (২২) এর বাড়ি দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ থানাধীন রুইগা এলাকায়। গ্রেফতারকৃত আসামীরা পরস্পর যোগসাজশে দিনাজপুর থেকে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল ও গাঁজা পরিবহন করে নিয়ে এসে নারায়ণগঞ্জ এর মাদক ডিলার মোঃ জাবেদ বেপারীর নিকট সরাবরাহ করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ জুন ২০২১ তারিখে দিনাজপুর থেকে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল ও গাঁজার একটি বড় চালান নিয়ে এসে নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর মডেল থানাধীন নিতাইগঞ্জ এলাকায় মাদক ডিলার মোঃ জাবেদ বেপারীর নিকট সরবরাহকালে র‌্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল কর্তৃক উল্লিখিত উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল ও গাঁজাসহ উপরোক্ত আসামীদের হাতে-নাতে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীরা স্বীকার করে যে, তারা সংঘবদ্ধ মাদক পাচারকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য। দীর্ঘদিন যাবৎ তারা দেশের সীমান্ত জেলা দিনাজপুরসহ বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা হতে অভিনব কায়দায় নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য গাঁজা ও ফেনসিডিল সংগ্রহ করে নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে আসছিল।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা